কালো নদীর ডাকাত আর রাঙা বেজি
Google Play থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করে সম্পূর্ণ গল্পটি পড়ুন।
লেখক পরিচিতি
বাংলা সাহিত্য নিয়ে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত আরাফাত ইসলাম লেখালেখির ভুবনে এক উদীয়মান তরুণ প্রতিভাধর। প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার পাশাপাশি সাহিত্যের প্রতি গভীর অনুরাগ থেকে তিনি গল্প লেখার সাথে যুক্ত আছেন। মূলত ভৌতিক এবং হালকা থ্রিলারধর্মী ঘরানার গল্প লিখতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তাঁর লেখা গল্পগুলোতে রোমাঞ্চ, রহস্য আর শিহরণ জাগানিয়া পরিবেশের এক অপূর্ব মিশ্রণ দেখতে পাওয়া যায়, যা থ্রিলারপ্রিয় পাঠকদের সহজেই মন্ত্রমুগ্ধ করে।
গল্পের সারাংশ
একসময় কালু সর্দারের নাম শুনলেই নদীপাড়ের গ্রামগুলোতে দরজা বন্ধ হয়ে যেত। ডাকাতির জীবনে অভ্যস্ত এই মানুষটি এক বর্ষার রাতে একটি পুরোনো কাঠের বাক্স লুট করার পর এমন এক রহস্যের মুখোমুখি হয়, যা তার নিজের অতীতের সঙ্গে অদ্ভুতভাবে জড়িয়ে আছে। বাক্সের ভেতর পাওয়া যায় সোনা-রূপার বদলে একটি পুরোনো মানচিত্র ও রহস্যময় চিহ্ন, আর সেই বাক্সের পিছু নেওয়া রাঙা বেজিটি যেন তাকে অজানা কোনো পথের দিকে টেনে নিয়ে যেতে থাকে। কালো নদী, পরিত্যক্ত ঘাট, গোপন পথ, পুরোনো নথি এবং বহু বছর চাপা পড়ে থাকা একটি ঘটনার সূত্র ধরে কালুর সামনে ধীরে ধীরে খুলতে থাকে অতীতের এক অন্ধকার অধ্যায়। তার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে কেশব, নিতাই ও গদাইয়ের মতো মানুষদের অসমাপ্ত গল্প, আর বোঝা যায়—এই অনুসন্ধান শুধু হারানো কোনো সম্পদের নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানুষের জমি, অধিকার, বিশ্বাসঘাতকতা এবং একটি পুরোনো হিসাবের সত্য। নিজের বাবার অতীত এবং নিজের পরিচয় নিয়ে নতুন প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে কালুকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়, সে কি আগের জীবনের ডাকাত হিসেবেই থাকবে, নাকি বহু বছরের অন্যায় ও গোপন সত্যের ভার নিজের হাতে তুলে নেবে। আর তার পাশে থাকা অদ্ভুত রাঙা বেজিটি কখনো পথ দেখায়, কখনো বিপদের আভাস দেয়—যার উপস্থিতিই রহস্যটিকে আরও গভীর করে তোলে। কালো নদীর অন্ধকারে শেষ পর্যন্ত কী লুকিয়ে আছে, আর কেন সেই রহস্যের সঙ্গে কালুর পরিবারের অতীত এত গভীরভাবে জড়িয়ে—সেই উত্তর খুঁজতেই শুরু হয় এক বিপজ্জনক অভিযান।