← ফিরে যান
জঙ্গলবাড়ির ডাকাত ও ধূসর বেজি
eBook রহস্য

জঙ্গলবাড়ির ডাকাত ও ধূসর বেজি

Free
অ্যাপে পড়ুন

Google Play থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করে সম্পূর্ণ গল্পটি পড়ুন।

লেখক পরিচিতি

✍️
আরাফাত ইসলাম ৭টি বই

বাংলা সাহিত্য নিয়ে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত আরাফাত ইসলাম লেখালেখির ভুবনে এক উদীয়মান তরুণ প্রতিভাধর। প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার পাশাপাশি সাহিত্যের প্রতি গভীর অনুরাগ থেকে তিনি গল্প লেখার সাথে যুক্ত আছেন। মূলত ভৌতিক এবং হালকা থ্রিলারধর্মী ঘরানার গল্প লিখতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তাঁর লেখা গল্পগুলোতে রোমাঞ্চ, রহস্য আর শিহরণ জাগানিয়া পরিবেশের এক অপূর্ব মিশ্রণ দেখতে পাওয়া যায়, যা থ্রিলারপ্রিয় পাঠকদের সহজেই মন্ত্রমুগ্ধ করে।

গল্পের সারাংশ

জঙ্গলের গভীরে বহু বছর ধরে পরিত্যক্ত পড়ে আছে এক পুরোনো জমিদারবাড়ি। লোকমুখে প্রচলিত, মৃত্যুর আগে জমিদার রঘুনাথ রায় তাঁর বিপুল সম্পদ ওই বাড়ির কোথাও লুকিয়ে রেখে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেই সম্পদের খোঁজে যারা বাড়িটিতে ঢুকেছে, তাদের কেউই আর স্বাভাবিকভাবে ফিরে আসেনি। কুসংস্কারকে পাত্তা না দেওয়া ডাকাত হরেক মিয়া তাই কয়েকজন সঙ্গীকে নিয়ে এক রাতে জঙ্গলবাড়িতে ঢোকে—তার উদ্দেশ্য সোজা, কথিত গুপ্তধন খুঁজে বের করা। কিন্তু বাড়ির ভেতরে পা রাখার পরই হরেক বুঝতে পারে, এটি নিছক পরিত্যক্ত জমিদারবাড়ি নয়। অস্বাভাবিকভাবে ব্যবহৃত ঘর, গোপন দরজা, পুরোনো চিহ্ন, লুকানো কূপ, ভূগর্ভস্থ পথ এবং বহু বছর আগের নিখোঁজ মানুষের সূত্র একে একে তাকে এমন এক রহস্যের দিকে টেনে নেয়, যার সঙ্গে তার নিজের অতীতও জড়িয়ে আছে। তার পথের সবচেয়ে অদ্ভুত সঙ্গী হয়ে ওঠে ধূসর—একটি নীরব বেজি, যে কখনো অস্বাভাবিক বুদ্ধিমত্তার প্রদর্শন না করেও নিজের স্বাভাবিক আচরণে হরেককে বারবার গুরুত্বপূর্ণ জায়গার সন্ধান দেয়। হরেকের অনুসন্ধান যত গভীরে যায়, ততই স্পষ্ট হয় যে জঙ্গলবাড়ির কথিত সম্পদের গল্পের আড়ালে বহু পুরোনো মানুষের জীবন, বিশ্বাসঘাতকতা, নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা এবং চাপা পড়ে থাকা একটি সত্য লুকিয়ে আছে। আর সেই সত্য খুঁজতে গিয়ে হরেককে শুধু অদৃশ্য রহস্যের মুখোমুখি হতে হয় না—তাকে মোকাবিলা করতে হয় জীবিত শত্রু, নিজের অতীত এবং এমন কিছু প্রশ্নের, যার উত্তর তার কাছে গুপ্তধনের চেয়েও বেশি মূল্যবান হয়ে উঠতে পারে।

Scroll to Top